বাণী
চেয়ারম্যান

প্রিয় শিক্ষার্থী, সম্মানিত অভিভাবক, শ্রদ্ধেয় প্রভাষকমন্ডলী ও শুভানুধ্যায়ী
আসালামু আলাইকুম,

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। তবে জন্ম মাত্রই প্রতিটি মানুষ এ শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী হয় না। বস্তুত জ্ঞানের আলো, বিজ্ঞানের সত্যানুসন্ধান, মূল্যবোধের পরিচর্যা এবং সর্বোপরি সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ মানুষকে এ শ্রেষ্ঠত্ব দান করে থাকে। আজকের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের দেশ ও জাতির কর্ণধার। ভবিষ্যতে তারাই দেশ ও জাতির কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা পূরণে যথার্থ ভূমিকা পালন করবে। উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যহীন শিক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রকৃত শিক্ষা, উন্নত নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, দেশপ্রেম ও আদর্শিক জ্ঞান দান করতে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক, সুশিক্ষিত ও অনুপম চরিত্র গঠনের উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। এই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম, সুযোগ্য ও উন্নত নৈতিক চরিত্রের অধিকারী নাগরিক তৈরির ক্ষেত্রে “মনপুরা কলেজ” অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। "আগামীর শিক্ষা আজকেই" এই স্লোগানকে বুকে লালন করে ২০১৪ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করি আমরা।
বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। এ সব বঞ্চিত মানুষের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছাতে গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনে অত্র প্রতিষ্ঠান মাইলফলক হয়ে থাকবে। নিয়ম-শৃঙ্খলা, পাঠদানের আধুনিক পদ্ধতি, অভিজ্ঞ প্রভাষকমন্ডলীর মাধ্যমে একটি আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে “মনপুরা কলেজ ” পরিচিতি পাবে বলে আশা করি।
“মনপুরা গ্রুপ” একটি সেবা ও জনকল্যাণমুখী স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠান। “মনপুরা গ্রুপ” এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হলো “মনপুরা ফাউন্ডেশন” আর এই মনপুরা ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত হচ্ছে মনপুরা কলেজ। আমি মনে করি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি হবে বাংলাদেশে বিশ-মানসম্পন্ন আধুনিক শিক্ষার একটি দিক-নির্দেশক। মানসম্পন্ন শিক্ষা থেকে একজন শিক্ষার্থী যেন বাদ না পড়ে, সে ধরনের একটি শিক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে পারলে আমরা জাতিগতভাবে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জসমূহ সহজে মোকাবেলা করতে পারবো।
“মনপুরা কলেজ” এর এসব মহৎ লক্ষ্যকে সাফল্যমন্ডিত করতে ছাত্র-ছাত্রী, প্রভাষক, অভিভাবক, শিক্ষানুরাগী সকল ব্যক্তির অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা আমরা প্রত্যাশা করছি।

ধন্যবাদান্তে

মো: আনোয়ার হোসেন
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান
মনপুরা কলেজ
Image of Principal

মোঃ আনোয়ার হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মনপুরা কলেজ

স্কুল শাখায় ভর্তি তথ্য (ইংলিশ ভার্সন)

মনপুরা স্কুল এন্ড কলেজ এর স্কুল শাখায় ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে প্লে- নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি চলছে।
Download file

স্কুল শাখায় ভর্তি তথ্য (বাংলা মিডিয়াম)

মনপুরা স্কুল এন্ড কলেজ এর স্কুল শাখায় ২০১৭ শিক্ষাবর্ষে প্লে- নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি চলছে।
Download file
সকল নোটিশ দেখুন

Login to your Account

বাণী
ভাইস-চেয়ারম্যান

সম্মানিত অভিভাবক ও প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা মনপুরা পরিবারের পক্ষ থেকে সকলকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা।

মানবজাতিকে সৃষ্টিকর্তা সকল গুণে গুণান্বিত হওয়ার পরিপূর্ণ ক্ষমতা দিয়েই সৃষ্টি করেছেন। এতদসত্ত্বেও তারা তা অর্জন করতে ব্যর্থ হচ্ছে একমাত্র ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে। তাই আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন ত্রুটিপূর্ণ শিক্ষার কবলে না পড়ে জীবন গড়ার সূচনার পূর্বেই হেরে না যায় বরং আলোকিত মানুষ হয়ে স্বীয় দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ হয়ে উঠতে পারে সে লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ২০১৪ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে “মনপুরা কলেজ”। শিক্ষার আলো মানুষের মনকে বিকশিত করে, বিকশিত করে মানবিক গুণাবলীকেও। প্রত্যেক ভাল মানুষের মধ্যে এ মানবিক গুণাবলী থাকা অত্যাবর্শক। মানবিক গুণাবলী অর্জনের একটি অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মানসম্মত পাঠদান পদ্ধতি, উন্নত নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, শৃঙ্খলাবোধ, আদর্শিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানে।
শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ সাধন, উন্নত চরিত্র গঠন ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন আদর্শ নাগরিক তৈরিতে বদ্ধপরিকর। নিয়ম-শৃঙ্খলার যথাযথ প্রয়োগ ছাড়াও আছে বিষয় ভিত্তিক, নিবেদিত, সৃজনশীল, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকা। ফলে অত্র প্রতিষ্ঠান একজন শিক্ষার্থীকে আহব্বান জানাই সুশিক্ষিত হয়ে আলোকিত ও সুনাগরিক হওয়ার। সেই সাথে সম্মানিত অভিভাবকদের নিকট অনুরোধ আপনার সন্তানদের “মনপুরা কলেজের” একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংস্পর্শে এনে দিন। আমরা আপনাদের উপহার দেব একটি সুসন্তান, সুনাগরিক ও আলোকিত মানুষ।
পরিশেষে আমি বলতে পারি, প্রতিষ্ঠানটি শুধু এলাকায় নয়, এদেশের শিক্ষা ক্ষেত্রে হবে একটি আদর্শ মাইল ফলক। আর এ প্রত্যাশা পূরণে আমাদের নিরলস প্রচেষ্টাকে সততা ও নিষ্ঠা দিয়ে অব্যাহত রাখতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।



ধন্যবাদান্তে

আফরোজা আক্তার
ভাইস-চেয়ারম্যান
মনপুরা কলেজ
প্রিন্সিপালের বানী
সম্মানিত অভিভাবক, সুপ্রিয় শিক্ষার্থী ও সুধীবৃন্দ,

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতউল্লাহ ওয়া বারাকাতুহু।
নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রারম্ভে মনপুরা ফাউন্ডেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘মনপুরা কলেজ ’ এর পক্ষ হতে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি। মনপুরা কলেজ বাংলাদেশের একটি খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১৪ খ্রি. প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানগ্ন থেকে অদ্যাবধি বোর্ড পরীক্ষাসমূহে আশানুরূপ ফলাফল অর্জন, শিক্ষার উন্নত মান ও সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নত নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, শৃঙ্খলাবোধ, দেশপ্রেম, বিশ্বমান সম্পন্ন প্রযুক্তিজ্ঞান দান এবং দক্ষ ও সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গিকার নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে বা সন্ত্রাসের দরুন এ প্রতিষ্ঠানটি কোনদিন বন্ধ থাকেনি। এ প্রতিষ্ঠান প্রতিটি শিক্ষার্থীও সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে বরাবরই যত্নশীল। এ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদ, বিষয়ভিত্তিক সৃজনশীল প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত অভিজ্ঞ প্রভাষকমন্ডলী এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ সাধনে নিবেদিত প্রাণ।
আপনারা শুনে আনন্দিত হবেন যে, ২০১৪ সাল হতে দক্ষ ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন মানব সম্পদ উপহার দেয়ার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এর নির্দেশনার আলোকে অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রভাষকমন্ডলীর প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে সেমিনারে পাঠদান, অ্যাসাইনমেন্ট, ক্লাস টেস্ট, প্রতিভা বিকাশ ক্লাস ও সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণসহ কলেজে চালু হয়েছে নিজস্ব শিক্ষাদান পদ্ধতি। মনপুরা কলেজটিকে একটি আদর্শ, যুগোপযোগী, অত্যাধুনিক ও গতিশীল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আমি আশীর্বাদ করি শিক্ষার্থীরা সার্বজনীন মানবিক মূল্যবোধের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সৎ, হৃদয়বান ও কল্যাণময়ী মানুষ হবে। মনে রাখতে হবে, ভবিষ্যতে তোমরাই হবে এ দেশের কর্ণধার। দেশের এ দুরবস্থায় সৎ ও যোগ্য লোকের বড়ই অভাব। তোমরা তোমাদের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। দেশের সংকটময় অবস্থা নিরসণে তোমরাই হবে পথ প্রদর্শক। মনে রাখবে শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রকৃত মানুষ হওয়া, অর্থ উপার্জন নয়।
আমি আশাবাদ ব্যক্ত করছি যে, এ প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিক্ষার্থী কলেজের নিয়ম শৃঙ্খলা ও বিধি-বিধানের প্রতি সর্বদাই অনুগত থাকবে। সম্মানিত অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীবৃন্দকে কলেজটির ক্রমোন্নতিতে অগ্রণী ও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করার জন্য অনুরোধ করছি।
পরিশেষে উপরে বর্ণিত নির্দেশাবলীর আলোকে শিক্ষার্থীরা তথা আপনাদের সন্তানেরা সুখী ও কল্যাণময় জীবন গড়ে তুলুক এ কামনা করছি। আল্লাহ আমাদের সহায় হোক।

এম.এ. সাঈদ
প্রিন্সিপাল
মনপুরা কলেজ
সম্মানিত অভিভাবক, সুপ্রিয় শিক্ষার্থী ও সুধীবৃন্দ,

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতউল্লাহ ওয়া বারাকাতুহু।
নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রারম্ভে মনপুরা ফাউন্ডেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘মনপুরা কলেজ ’ এর পক্ষ হতে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করছি। মনপুরা কলেজ বাংলাদেশের একটি খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২০১৪ খ্রি. প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানগ্ন থেকে অদ্যাবধি বোর্ড পরীক্ষাসমূহে আশানুরূপ ফলাফল অর্জন, শিক্ষার উন্নত মান ও সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নত নৈতিকতা, ধর্মীয় মূল্যবোধ, শৃঙ্খলাবোধ, দেশপ্রেম, বিশ্বমান সম্পন্ন প্রযুক্তিজ্ঞান দান এবং দক্ষ ও সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গিকার নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে বা সন্ত্রাসের দরুন এ প্রতিষ্ঠানটি কোনদিন বন্ধ থাকেনি। এ প্রতিষ্ঠান প্রতিটি শিক্ষার্থীও সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে বরাবরই যত্নশীল। এ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পরিষদ, বিষয়ভিত্তিক সৃজনশীল প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত অভিজ্ঞ প্রভাষকমন্ডলী এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ সাধনে নিবেদিত প্রাণ।
আপনারা শুনে আনন্দিত হবেন যে, ২০১৪ সাল হতে দক্ষ ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন মানব সম্পদ উপহার দেয়ার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এর নির্দেশনার আলোকে অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রভাষকমন্ডলীর প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে সেমিনারে পাঠদান, অ্যাসাইনমেন্ট, ক্লাস টেস্ট, প্রতিভা বিকাশ ক্লাস ও সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণসহ কলেজে চালু হয়েছে নিজস্ব শিক্ষাদান পদ্ধতি। মনপুরা কলেজটিকে একটি আদর্শ, যুগোপযোগী, অত্যাধুনিক ও গতিশীল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। আমি আশীর্বাদ করি শিক্ষার্থীরা সার্বজনীন মানবিক মূল্যবোধের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সৎ, হৃদয়বান ও কল্যাণময়ী মানুষ হবে। মনে রাখতে হবে, ভবিষ্যতে তোমরাই হবে এ দেশের কর্ণধার। দেশের এ দুরবস্থায় সৎ ও যোগ্য লোকের বড়ই অভাব। তোমরা তোমাদের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। দেশের সংকটময় অবস্থা নিরসণে তোমরাই হবে পথ প্রদর্শক। মনে রাখবে শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রকৃত মানুষ হওয়া, অর্থ উপার্জন নয়।
আমি আশাবাদ ব্যক্ত করছি যে, এ প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিক্ষার্থী কলেজের নিয়ম শৃঙ্খলা ও বিধি-বিধানের প্রতি সর্বদাই অনুগত থাকবে। সম্মানিত অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীবৃন্দকে কলেজটির ক্রমোন্নতিতে অগ্রণী ও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করার জন্য অনুরোধ করছি।
পরিশেষে উপরে বর্ণিত নির্দেশাবলীর আলোকে শিক্ষার্থীরা তথা আপনাদের সন্তানেরা সুখী ও কল্যাণময় জীবন গড়ে তুলুক এ কামনা করছি। আল্লাহ আমাদের সহায় হোক।
আবু আব্দুল্লাহ মুহা: বায়জিদ
ভাইস প্রিন্সিপাল